নেকড়ে
Tagged Tags:

নেকড়ে বা ধূসর নেকড়ে (বৈজ্ঞানিক নাম ক্যানিস লুপাস) ক্যানিডে (en:Canidae) গোত্রের সর্ববৃহৎ বুনো সদস্য। বরফ যুগ টিকে থাকা এই প্রাণীটি প্লাইস্টোসিনকালের শেষ ভাগে অর্থাৎ প্রায় ৩,০০,০০০ বছর পূর্বে উদ্ভূত হয়। ডিএনএ সিকুয়েন্সিং এবং জিনেটিক ড্রিফট গবেষণায় দেখা গেছে নেকড়ে গৃহপালিত কুকুরের পূর্বপুরুষ একই, যদিও এর কিছু দিক এখনো প্রশ্নসাপেক্ষ। ধুসর নেকড়ের বেশ কিছু উপপ্রজাতি শনাক্ত করা হয়েছে তবে এর সঠিক সংখ্যা নিয়ে এখনো আলোচনার অবকাশ রয়েছে। ধূসর নেকড়ে সাধারণত তাদের বাস্তুসংস্থানের সর্বোচ্চ স্তরের খাদক। ক্রান্তীয় বনভূমি, মরুভূমি, পার্বত্য এলাকা, তুন্দ্রা অঞ্চল, তৃণভূমি এবং এমনকি শহুরে এলাকাতেও নেকড়ে বাস করে।

যদিও একসময় ইউরেসিয়া ও উত্তর আমেরিকায় প্রচুর পরিমাণ ধূসর নেকড়ে বাস করত আজ তার অতি সামান্য অংশেই এর বাস, যার কারণ হল এর বিচরণ এলাকার ব্যাপক ধ্বংসসাধন এবং মানুষের আগ্রাসন, যার ফলে নেকড়ে অনেক জায়গায় স্থানীয় বিলুপ্তির মুখোমুখি হয়েছে। তা সত্ত্বেও আন্তর্জাতিক প্রকৃতি সংরক্ষণ সংঘ (IUCN) সমগ্র নেকড়ে জাতিকে এখনো স্বল্প বিলুপ্তির ঝুঁকিপূর্ণ মনে করে। বর্তমানে নেকড়ে কিছু কিছু এলাকায় সংরক্ষিত, কিছু এলাকায় বিনোদনের জন্যে একে শিকার করা হয়, আবার গৃহপালিত প্রাণীর জন্যে হুমকি বিবেচনা করেও একে নিধন করা হয়।

বিভিন্ন মানব সংস্কৃতি ও পুরাণে নেকড়ে ইতিবাচক ও নেতিবাচক উভয়ভাবেই স্থান পেয়েছে।

জগৎ: প্রাণী জগৎ
পর্ব: কর্ডাটা
উপপর্ব: Vertebrata
শ্রেণী: স্তন্যপায়ী
উপশ্রেণী: Theria
বর্গ: Carnivora
উপবর্গ: Caniformia
পরিবার: Canidae
উপপরিবার: Caninae
গোত্র: Canini[২]
গণ: Canis
প্রজাতি: C. lupus
দ্বিপদী নাম
Canis lupus

এসেছে নতুন শিশু, তাকে ছেড়ে দিতে হবে স্থান; জীর্ণ পৃথিবীতে ব্যর্থ, মৃত আর ধ্বংসস্তূপ-পিঠে। চলে যেতে হবে আমাদের। চলে যাব- তবু আজ যতক্ষণ দেহে আছে প্রাণ, প্রাণপণে পৃথিবীর সরাব জঞ্জাল, এ বিশ্বকে এ শিশুর বাসযোগ্য করে যাব আমি— নবজাতকের কাছে এ আমার দৃঢ় অঙ্গীকার।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *